মোবাইলআবিষ্কারের প্রাক সময়কাল
মোবাইলআবিষ্কারের প্রাক সময়কাল থেকেই আমরা দেখেছি যে মোবাইল একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সাধন যা বর্তমান সমাজ তথাপি মানুষের একটি উপযোগী সাধন কারণ মোবাইল এর মাধ্যমে বর্তমানে সমাজের মানুষের উপকার এবং অন্যান্য যোগাযোগ ব্যবস্থা প্রধান ভাবে জায়গা পেয়েছে বর্তমানে মোবাইল এমন একটি যন্ত্র কয়েক মুহূর্তের মধ্যেই প্রিয় মানুষের সাথে মনের কথা আদান-প্রদানের একমাত্র সাধন একটা সময় ছিল যখন একটি চিঠির অপেক্ষায় থাকতে হতো প্রিয় মানুষকে কারণ চিঠি আদান প্রদানের চিরাচরিত প্রথাকেই বর্তমান সময়ে ডিজিটালাইজেশনের মাধ্যমে তা অত্যন্ত দ্রুত গতি লাভ করেছে কয়েক সেকেন্ড বা বলা যেতে পারে মিলি সেকেন্ডের কম সময় কালে একটি মোবাইল তার প্রিয় মানুষের সাথে প্রিয় মানুষের যোগাযোগ ঢুকিয়ে দেয় কিন্তু আমরা অনেকেই হয়তো এই বিষয়ে অজ্ঞানের অন্ধকারে আছে মোবাইলের কথোপকথন এত দ্রুত গতিতে পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে কিভাবে সম্পন্ন হয় তা অজানা অনেকেই তাই আজ আমরা আলোচনা করব যে কিভাবে মোবাইল সিগন্যাল কাজ করে এবং সেই সিগন্যাল দ্রুতগতিতে আমাদের যোগাযোগের মাধ্যম হয়ে প্রিয় মানুষের সাথে নিজের বাক্য বিনিময় থেকে শুরু করে আর্থিক লেনদেন এবং যে কোন প্রকারের ছবিভিডিও অডিও ও আর্থিক লেনদেন ও কয়েক সেকেন্ডের ব্যবধানে সম্পন্ন করে আজকে আমরা বর্তমান ডিজিটালাইজেশনের সময়কালে নিজেদেরকে যথেষ্ট স্মার্ট সাবলীল স্বচ্ছ এবং গতিময় করার চেষ্টায় সর্বদাই ব্যস্ত রেখেছি নিজেদেরকে কিন্তু কখনও আমরা ভেবে দেখিনি যে এই সামান্য সময়কালের ভেতরে বা ব্যবধানে কিভাবে একটি মোবাইল থেকে অন্য মোবাইলের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যম প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হয় এই প্রক্রিয়াটি বিষয়ে যখন আমরা জানবো তখন আমাদের জ্ঞানের আলো যথেষ্ট বিকৃত হতে পারে কারণ একটি এমন রশমি যা দ্বারা সমস্ত অন্ধকারকে নিমেষে দূর করা যায় আমরা প্রথমে জানবো মোবাইল সিগন্যাল কিভাবে কাজ করে মোবাইল সিগন্যাল এমন অদৃশ্য তরঙ্গ যা কিনা এর মাধ্যমে মোবাইল গ্রহীতা বা বলা যেতে পারে মোবাইল তরঙ্গ গ্রহীতা যন্ত্রে কয়েক সেকেন্ডের মাধ্যমে পৌঁছে যায় এই মোবাইল তরঙ্গ গ্রহীতা যন্ত্রটি আবার ওই তরঙ্গ কে একটি শক্তি প্রদান করে আমাদের পৃথিবীর চারপাশে যে উপগ্রহ ঘোরাঘুরি করছে সেই উপগ্রহে এটিকে মিলি সেকেন্ডের ব্যবধানে পাঠিয়ে দেয় এবং দেখা যায় ঐ উপগ্রহটি অন্য যে মোবাইলটি অপরপ্রান্তে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হয় সেই মোবাইলটির নাম্বার কে খুঁজে বের করে সেই লোকেশনে ওই তরঙ্গটি কে কয়েক সেকেন্ডের ব্যবধানে পুনরায় সেখান থেকে সে মোবাইল গ্রহীতা বা মোবাইল তরঙ্গ গ্রহীতা যন্ত্রের অন করে এবং ওই মোবাইল তরঙ্গ গ্রহীতা যন্ত্রটি পুনরায় এই মোবাইলটি খুঁজে বার করে যেটিকে মোবাইল অন্য মোবাইলে নাম্বারের মাধ্যমে খোঁজার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং এই প্রক্রিয়াটি ঘটে মিলি সেকেন্ডের ব্যবধানে এখন আমরা জানবো যে উপগ্রহ কিভাবে সংগ্রহ করে উপগ্রহ সংগ্রহ করে যে লোকেশন থেকে অন্য প্রান্তে মোবাইলটি নির্দেশ দেয় অন্য মোবাইল নাম্বার কে খুঁজে বার করার জন্য সেই মোবাইল গ্রহীতা যন্ত্রটিকে তরঙ্গ গ্রহীতা এবং দাতা এই দুটি ভূমিকা পালন করার জন্য বাধ্য করে এবং উভয় ক্ষেত্রেই বিশেষভাবে পরিচালনা করে যে প্রধান ভাবে সেটি হল উপগ্রহ কার উপগ্রহ এক প্রান্তের মোবাইল তরঙ্গ গ্রহীতা যন্ত্রকে সক্রিয় করে অন্য প্রান্তে মোবাইল তরঙ্গ দা তার সঙ্গে যোগাযোগ ঘটায় এবং সেটি কয়েক সেকেন্ডের ব্যবধানে এই প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করে যার মাধ্যমে বাজার ফলে আমরা এই প্রক্রিয়াটিকে যথেষ্টভাবে অল্প সময়ের ব্যবধানে স্পষ্ট শব্দ অথবা ভিডিও কলিং এর মাধ্যমে আমরা সেটাকে দেখতে পাই বা শব্দটিকে শুনতে পাই বিভিন্ন মোবাইল প্রভাইডস তরঙ্গ কে আরো বেশি শক্তিশালী করার জন্য রাষ্ট্রসঙ্ঘের কাছ থেকে বিভিন্ন প্রকার গাইডলাইন নির্দেশ এবং প্রযুক্তিগত উন্নয়নের জন্য তারা যথাযথভাবে দিবারাত্র প্রয়াস করে চলেছে মোবাইল সংস্থাগুলিও যথেষ্টভাবে চেষ্টা করছে যে তারা কিভাবে আরো উন্নত পরিষেবা দান করতে পারে গ্রাহকদের এবং এই তরঙ্গ কে আরো শক্তিশালী করার জন্য কিছু কিছু ক্ষেত্রে দেখা যায় রাষ্ট্রসঙ্ঘের নির্দেশে রাষ্ট্র বিভিন্ন রাজ্য বা বিভিন্ন রাষ্ট্রকে এই জাতীয় শক্তিকে ব্যবহার করার জন্যঅনুমোদন দেন অনুমোদিত পত্র কে নিয়ে আমরা অধিকাংশ ক্ষেত্রে দেখতে পাই যেবিভিন্ন রাষ্ট্রের মধ্যে যথাযথ টানাপোড়ন হয় তার একটি মাত্র কারণ হলো ব্যবসায়ী উন্নয়ন এবং পুঁজিপতিদের ব্যবসায়ীক স্বার্থকে যথাযথভাবে রক্ষা করার জন্য রাষ্ট্রকে বিভিন্ন ক্ষেত্রে ইচ্ছে না থাকলেও অনুমোদন দিতে বাধ্য করা হয় আমরা বর্তমান সময়ে কে সাক্ষী রেখে এই আলোচনা পর্ব চালিয়ে যাওয়ার জন্য সচেষ্ট হবে যারা পাঠকবর্গ আমাদের সাথে জুড়ে আছেন তাদের কাছে বিনম্র নিবেদন আপনারা চেষ্টা করুন যাতে এই জাতীয় শক্তিশালী চুম্বকীয় তরঙ্গ কে আমরা একটি নির্দিষ্ট সীমার মাধ্যমে কেবলমাত্র চাহিদা অনুসারে ব্যবহার করতে বা গ্রহণ করতে পারি কারণ দেখা গেছে মোবাইল চুম্বকীয় তরঙ্গের ফলে আমাদের প্রাকৃতিক প্রাণী সমাজে বা পরিবেশগত বিভিন্ন সমস্যার সামনে আমাদের দাঁড়াতে হচ্ছে এবং ফলে বিভিন্ন ভাবে পরোক্ষ ও প্রত্যক্ষ ভাবে পরিবেশগত বৈষম্য সৃষ্টি হচ্ছে এবং তার ফলেই নিশ্চিত হচ্ছে প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের লক্ষণ প্রতিনিয়ত আমরা লক্ষ্য করি এই প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের ফলে প্রাণী সমাজ এবং আর্থিক ও প্রাকৃতিক ধ্বংসের একটি ছবি এগুলিকে আমাদেরকে গুরুত্ব দিয়ে চিন্তা করে রাখার দরকার কারণ আগামী প্রজন্ম আমাদের কাছ থেকে কি আশা করতে পারবে এবং আমরা তাদের জন্য কি রেখে যেতে পারবো সেটাই বড় একটি প্রশ্ন অতএব পাঠকবর্গ আপনার সবাই অনুভব করবেন সজাগ করবেন এবং সচেতন থাকবেন পরবর্তী পর্যায়ে আমরা আলোচনা করব মোবাইল চুম্বকীয় তরঙ্গ কে কিভাবে আরো শক্তিশালী করে অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয় ততক্ষন আমাদের পাশে থাকুন আমাদের সাথে থাকুন
Comments
Post a Comment